বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের রাজকীয় প্রাসাদ মান্নাতের ভিতরটা কেমন দেখতে, ঘুরে দেখালেন শাহরুখ, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে যাকে কিং খান নামে চেনে গোটা পৃথিবী । বলিউড ইন্ডাস্ট্রি বাদশা তিনি । তার নাম নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না । সেই শাহরুখ খানের জীবন কাহিনী আমরা প্রত্যেকে জানি কিভাবে একজন সাধারন মানুষ থেকে বলিউডের কিং খান হয়ে উঠলেন সে কথা আমরা প্রত্যেকে জানি । সেই শাহরুখ খানের জীবন কাহিনী তে থেকে গেছে এমন কিছু কঠোর সংগ্রামের কথা যা অন্যান্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করে তোলে ।মানুষ তাকে ভালোবেসে বাদশার মুকুট পড়িয়েছেন ।

আরব সাগরের ধারে মুম্বাই ছয় তলা একটি বাড়ি আছে তার যার নাম মান্নত । এই বাড়ির সামনে প্রতিদিন কয়েক হাজার ভক্ত ভিড় করে শুধুমাত্র চোখের দেখার জন্য শাহরুখ খানকে । কেউ কেউ সফল হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিফলে যায় ।কারণ এই বাড়িটি সাথে সাথে সমস্ত মানুষজনকে ক-ঠোর নিরাপত্তার মধ্যে থাকতে হয় । কিন্তু এই বাড়ি সম্পর্কে অনেকেই জানেন না ।তাই আজকের প্রতিবেদনে জানাবো মান্নাতে সম্পর্কে খুঁটিনাটি বিষয় গু-লি । আপনি জানলে অ-বাক হবেন যে এই বাড়িটি শাহরুখ খান কিন্তু নিজে হাতে তৈরি করেননি ।

প্রথমে এক গুজরাটি ব্যবসায়ী ছিলেন যিনি এই বাড়ির মালিকানা ছিলেন । অপরদিকে তিনি আবার শাহরুখ খানের খুব কাছের এক মানুষ । তাই তার কাছ থেকে এই বাড়িটি শাহরুখ খান কিনে নিতে চেয়েছেন । কিন্তু তার জন্য তাকে যথেষ্ট পরিমাণে অপেক্ষা করতে হয়েছিল । তখনকার দিনে এই বাড়িটির মূল্য ছিল ১৩ কোটি টাকা অর্থাৎ শাহরুখ খান যখন এটি কেনেন । যার বর্তমান বাজারমূল্য হচ্ছে ২০০ কোটি টাকা । এবং আপনি জানলে অ-বাক হবেন যে এই বাড়িটি পৃথিবীর সবথেকে বিলাসবহুল বাড়ির মধ্যে অন্যতম ।তার পাশাপাশি ভারতের সবথেকে দামি গাড়ির মধ্যে তৃতীয় স্থানে বিরাজ করছে ।

এই বাড়ির ভেতরে সুইমিংপুল জিম, বার, মন্দির খেলার মাঠ থেকে শুরু করে এ হেন এমন কোন জিনিস নেই যেটি নেই শাহরুখ খান বরাবরই চেয়েছিলেন যে তার এমন একটা বাড়ি হবে যেখানে সবকিছু এক ছাদের তলায় থাকবে। এবং সেই বাড়িটি হচ্ছে ‘মান্নাত’ । শুধুমাত্র ভারত বর্ষ নয় তার পাশাপাশি দুবাইতে একটি বাড়ি রয়েছে। অত্যাধুনিক জিনিসপত্র দিয়ে সাজিয়ে তুলতে চার বছর সময় লেগেছিল তার । ২৫ বছর ধরে বলিউডের রাজ করা শাহরুখ খান এর বাড়ি অমিতাভ বচ্চনের বাড়ি থেকেও যথেষ্ট পরিমাণে বেশি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *