আর্থিক দিক থেকে হোক বা বড়সড় বি-পর্যয়, তারা মায়ের তু-মুল শ-ক্তিতেই বড় মুক্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- বি-পদ আ-সুক বা সুখ যেকোনো মুহূর্তে আমরা দ্বারস্থ হয় ঈশ্বরের কাছে । কেউ মা কালী ,কেউ দেবাদিদেব মহাদেব, কেউ বা মা দুর্গা বা অন্য কোনো যেকোনো ঈশ্বরের দ্বারস্থ হয় ।আমরা য-খন বি-পদে প-ড়ি বি-প-দ থেকে রক্ষার জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে বেছে নি ঈশ্বরের আশীর্বাদ কে । অবশ্য ফিরিয়ে দেন না তার কোন সন্তানকে । আপনার জীবনে হতে পারে ম-সৃণ মায়ের আরাধনায়। জীবন হয়ে উঠতে পারে আরও রঙিন। মুক্তি পেতে পারেন সব য-ন্ত্রণা থে-কে ।আমরা সীতার ৫১ পীঠের কথা জানি । তার মধ্যে অন্যতম হলো তারাপীঠ।

এই তারাপীঠে মায়ের শ-ক্তির প্র-কাশ ছ-ড়িয়ে ছি-টিয়ে রয়েছে এখানে ওখানে যা আপনি সেখানে গেলে অনুভব করতে পারবেন। শুধুমাত্র সাধক বামাক্ষ্যাপা নয় এই পৃথিবীতে এমন অনেক পাগল ভক্ত আছে যারা জীবনের মুক্তি হিসেবে বেছে নিয়েছে মায়ের আরাধনা কে। অবশ্য পেয়েছে তারা ফল ও । শুধুমাত্র তারা মায়ের কথায় গেরুয়া বস-ন ত্যা-গ করে র-ক্ত-মা-খা বসন গ্রহণ করেছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপা । তবেই তিনি এত বড় সাধক হতে পেরেছিলেন ।

নিজেকে সঁ-পে দিয়েছিলেন মা কালীর কাছে । মা কালি কে আমরা সাধারণত শ-ক্তি-রূপেণ দেবী বলে জানি। অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি আমাদের অনুপ্রাণিত করেন কীভাবে জীবনের দু-র্বল সময়কে ঝে-ড়ে ফে-লে শ-ক্তির সা-হায্যে এগিয়ে যাওয়ার পথ কে দৃঢ়ভাবে নির্মাণ করতে হয়। বিভিন্ন সময় আমরা নারী শ-ক্তি বলতে সাধারণত মা কালীকে জেনে থাকি । তিনি যেমন তার সন্তানের প্রতি সহনশীল,

মমতাময়ী ঠিক তেমনি দু-ষ্টু পা-পী-দে-র প্রতি উ-গ্র । পরিস্থিতির সাথে পাল্টাতে থাকে তার রূপ । তার বিভিন্ন অবতার পৃথিবীতে ছ-ড়িয়ে আ-ছে। কাজেই জীবনের যেকোনো য-ন্ত্র-ণা-য় মুক্তি পেতে হলে অবশ্যই শরণাপন্ন হবেন মা কালীর । তারামা দেবেনা ফিরিয়ে কখনোই এমনটাই মনে করছে তারাপীঠের ভক্তগণ ।তারাপীঠ এর সর্বত্র রয়েছেন কৃপা । জী-বনের দুঃ-খ ক-ষ্ট দূ-র হ-য় তারই ছোঁয়াতে । জীবনে চলার পর যখন থম-কে দা-ড়ায় তখন মা তারাই রক্ষা করে আমাদের সকলকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *